Halloween party ideas 2015
Showing posts with label People. Show all posts

ভয় এমন এক মানবিক অনুভূতি, যার শুরু হয় একেবারে ছোটবেলা থেকে। শৈশবে বাবা-মা ও বড়রা কোনো কিছু করা থেকে বিরত রাখতে চাইলে সবচেয়ে বেশি দেখাতেন ভূতের ভয়। সেই সাথে তেলাপোকা আর মাকড়শার মতো প্রাণীর ভয় তো আছেই। এর সাথে কালক্রমে যুক্ত হয় কুকুর ও অন্যান্য প্রাণীদের ঘিরে ভয়ও।


বিশ্বের ইতিহাসে বিখ্যাত/কুখ্যাত বিভিন্ন নেতার জীবনী পড়লে, বই-ইন্টারনেট ঘেঁটে তাদের ছবি দেখলে বেশ অকুতোভয় মনে হয় তাদের। তবে তারাও যেহেতু রক্তমাংসের মানুষই ছিলেন, তাই ভয় নামক অনুভূতিটা দিনশেষে তাদেরও ছিলো, ঠিক আমাদের মতোই!

১) অ্যাডলফ হিটলার


অ্যাডলফ হিটলারকে ইতিহাস মনে রেখেছে তার নাৎসি বাহিনীর মানবতাবিরোধী নানা অপরাধের জন্য। এর মাঝে সবচেয়ে বেশি শোনা যায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইহুদীদের উপর চালিত গণহত্যা নিয়ে। এছাড়া ইন্টারনেট ঘাটিয়েও তার যেসব ছবি খুঁজে পাওয়া যায়, সেসব দেখে আর যা-ই হোক, এটা ভুলেও কারো মাথায় আসবে না যে তিনিও কোনো মানুষকে যমের মতো ভয় পেতে পারেন।
তবে বাস্তবে আসলেই এমনটা হয়েছিলো। ইতিহাস যে মানুষটিকে এক ভয়ঙ্কর মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করেছে, ছবি যে মানুষটিকে কারো কাছে অকুতোভয় আবার কারো কাছে পাষাণ হৃদয়ের এক নেতা হিসেবে তুলে ধরে, জার্মানির সেই একনায়কও ভীষণ ভয় পেতেন দাঁতের ডাক্তারের কাছে যেতে! অবিশ্বাস্য শোনালেও কথাটি আসলেই সত্য। ২০০৯ সালে প্রকাশিত ‘ডেন্টিস্ট অভ দ্য ডেভিল’ বইটিতে লেখক মেনেভ্‌স ডেপ্রেম-হেনেন এমন কথাই জানিয়েছেন। হিটলারের জন্য তো যেনতেন কাউকে দাঁতের ডাক্তার হিসেবে নিয়োগ দেয়া যায় না। তার জন্য ছিলো নির্ধারিত একজন ডাক্তার। আর এ দায়িত্বটি পালন করতেন এসএস বাহিনীর ডেপুটি চীফ ডেন্টাল সার্জন ডাক্তার হুগো বালশ্‌ক, যিনি প্রায় দুই দশক ধরে হিটলারের দাঁতের পরিচর্যার দায়িত্ব পালন করেছেন।

হিটলারের দাঁতের চিকিৎসা সংক্রান্ত রেকর্ড যাচাইয়ে বেশ আগ্রহী ছিলো সোভিয়েত বাহিনী। তবে এ সংক্রান্ত নথিপত্র তাদের আগেই হস্তগত করে নিয়েছিলেন ইহুদী চিকিৎসক ফেডর ব্রুক। ডাক্তার ব্রুকের কাছ থেকেই এসব কাগজ পেয়েছিলেন লেখক মেনেভ্‌স।

দাঁতের নানা সমস্যায় ভুগলেও দাঁতের ডাক্তারের কাছে যেতে ভয় পেতেন হিটলার। এজন্য সেই সমস্যাগুলো ক্রমাগত বাড়তে থাকায় দাঁত তাকে ভালোই ভোগাতো। বালশ্‌ক জানিয়েছিলেন, হিটলার প্রায় সময়ই দাঁতের ব্যথার ব্যাপারে বলতেন। এছাড়া তার মুখে ছিলো মারাত্মক দুর্গন্ধ আর দাঁতগুলো ছিলো হলুদাভ। মুখে ফোঁড়া এবং মাড়ির রোগেও ভুগছিলেন তিনি। একবার একটি রুট ক্যানাল করাতে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি সময় নিয়েছিলেন তিনি কেবলমাত্র দাঁতব্যথার ভয়েই। অনেকেই মনে করেন, মুখের রোগগুলোই তার নানা দুশ্চিন্তা এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে ভগ্নস্বাস্থ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

২) চেঙ্গিস খান


চেঙ্গিস খানের নাম শোনে নি এমন মানুষ বোধহয় পৃথিবীতে খুঁজে পাওয়া যাবে না একজনও। এমনকি যে মানুষটি খান সাহেবের প্রতিষ্ঠিত বিখ্যাত মঙ্গোল সাম্রাজ্য নিয়ে খুব বেশি কিছু জানে না, সে-ও জানে তার নাম! তার হাত ধরে যাত্রা শুরু করা মঙ্গোল সাম্রাজ্য অল্প সময়ের মাঝেই বিশ্বের বুকে মূর্তিমান আতঙ্ক রুপে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল। তাদের ভয়ঙ্কর সেনাবাহিনীর সামনে দাঁড়াতে সাহস পেত না অন্য কোনো বাহিনীই।

সে যা-ই হোক, আমাদের আজকের আলোচনা দ্য গ্রেট খানের বীরত্ব কিংবা তার মঙ্গোল বাহিনীর নৃশংসতা নিয়ে না। ইতিহাসে যেভাবে চেঙ্গিস খানকে চিত্রায়িত করা হয়েছে, তাতে যে কেউই তাকে বিশ্ববিজেতা এক নেতার প্রতিমূর্তি হিসেবে মনে করতে পারে, যার মনে ভয়ের লেশমাত্র ছিলো না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, দিনশেষে তিনিও একজন রক্তমাংসের মানুষই ছিলেন। তাই ভয় নামক মানবিক অনুভূতির উর্ধ্বে ওঠা সম্ভব হয় নি তার পক্ষেও।

কিংবদন্তী এবং ‘সিক্রেট হিস্টোরি অভ দ্য মঙ্গোলস’ বইটি থেকে জানা যায় যে, চেঙ্গিস খান ভয় পেতেন তিনটি প্রাণীকে– তার মা, স্ত্রী এবং কুকুর!

মঙ্গোলদের নেতা হওয়ার পূর্বে চেঙ্গিস খানের নাম ছিলো তেমুজিন, ‘চেঙ্গিস খান’ হলো তার উপাধি। তেমুজিনের বয়স যখন আট বছর, তখন একদিন তার বাবা ইয়েসুগেইয়ের সাথে দেখা হয় এক লোকের, নাম তার দেই-সেতসেন। দেইয়ের বোর্তে নামে এক মেয়ে ছিলো। বোর্তে আবার বয়সে ছিল তেমুজিনের চেয়ে প্রায় এক বছরের মতো বড়। একসময় ইয়েসুগেইয়ের সাথে দেই-সেতসেনের সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ সুসম্পর্ককে চিরস্থায়ী রুপ দিতে তারা নিজেদের ছেলে-মেয়েকে একে অপরের সাথে বিয়ে দেয়ার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন। ভবিষ্যত যৌতুকের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে ছেলেকে হবু শ্বশুরের বাড়িতে রেখে যাবার আগে তিনি বলে যান, “আমার ছেলে কুকুরকে ভয় পায়। ভাইয়েরা আমার, কুকুর যাতে ওকে ভয় দেখাতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রেখ।”

দেখা যাচ্ছে, এ ভয়ের কথা মূলত শৈশবের সাথে সম্পর্কিত। যদিও অনেকেই তাদের শৈশবের ভয়কে আজীবন বয়ে বেড়ায়, তবে বড় হয়ে চেঙ্গিসের মতো একজন নেতা শৈশবের সেই ভীতিকে পুষে রেখেছিলেন কিনা তা জানা যায় না। কোনো কোনো ঐতিহাসিক চেঙ্গিসের এ কুকুরভীতির জন্য তার সমালোচনা করেছেন (তাতে খানের কী-ই বা আসে যায়?)। তবে এ ভয়কে নিতান্ত অমূলক না বলে বরং আত্মরক্ষার জন্য দরকারি বলাটাই ভালো। কারণ মঙ্গোলীয় কুকুরগুলো বেশ বড় আকারের ও হিংস্র স্বভাবের। অসাবধান পথচারীদের উপর তাদের হিংস্র আক্রমণের ইতিহাসও কম ছিলো না। মঙ্গোলীয়রা তাদের কুকুরগুলো সম্পর্কে বলতো, “(কুকুরগুলো) বড় ও অস্থিসার বর্বর পশু, বড় বড় লোমওয়ালা, উচ্চ স্বরের এবং বদমেজাজী। তাদেরকে ভয় পাওয়া এবং এড়িয়ে চলা উচিত।” সেই সাথে তারা আরো বলতো যে, “তুমি ঘোড়া কিংবা উটের উপর থাকলেও তারা তোমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে এবং যদি তুমি হাঁটতে থাকো, তাহলে সেগুলোকে বশে আনাটা মাঝে মাঝে দুঃসাধ্য হয়ে ওঠে।”

৩) অগাস্টাস সিজার


২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ১৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করা অগাস্টাস সিজারকে গণ্য করা হয় রোমান সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে। রোমান ঐতিহাসিক সুইটোনিয়াসের মতে, সিজার ভয় পেতেন বজ্রপাতকে। একবার ক্যান্টাব্রিয়ান ক্যাম্পেইনের সময় রাতের বেলায় বসে ছিলেন তিনি। হঠাৎ করেই তার খুব কাছেই বজ্রপাত আঘাত হানে। এতে আগুন ধরে যায় বসার সেই জায়গাটিতে। এছাড়া এটি সরাসরি আঘাত হেনেছিল সম্রাটের এক ভৃত্যের শরীরে, যে তখন মশাল হাতে হেঁটে যাচ্ছিলো। এতে মারা যায় সেই ভৃত্য।

এ ঘটনার পরপরই টেম্পল অভ জুপিটার নির্মাণ করেছিলেন সম্রাট, উদ্দেশ্য ছিলো ঈশ্বরের ক্রোধকে প্রশমিত করা। তবে কুসংস্কারাচ্ছন্ন এ রাজা বাকি জীবনটা ভয়ে ভয়েই কাটিয়েছেন। সিজার সবসময় সীলের চামড়াকে রক্ষাকবচ মনে করে সাথে নিয়ে ঘুরতেন, ঝড়বৃষ্টি আসলে মাটির নীচে একটি ঘরে গিয়ে আশ্রয় নিতেন।

৪) পিটার দ্য গ্রেট


১৬৮২ থেকে ১৭২১ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার জারের দায়িত্ব পালন করা পিটার দ্য গ্রেট আবার ভয় পেতেন তেলাপোকাকে। জানা যায়, যদি কোনো বাড়িতে থাকা অবস্থায় সেখানে একটি তেলাপোকার সন্ধানও তিনি পেতেন, তবে সাথে সাথেই সেই বাড়ি থেকে দৌড়ে পালাতেন এই সম্রাট! সাম্রাজ্যের নানা অংশে ঘুরে দেখার সময় তিনি যেসব বাড়িতে অবস্থান করতেন, সেসব বাড়ি তার ভৃত্যরা আগে এমনভাবে সাফ করে রাখতো যেন সেখানে তেলাপোকার নামগন্ধও না থাকে।

একবার এমনই এক ভ্রমণে বেরিয়ে কাঠের তৈরি একটি ঘরে উঠেছিলেন তিনি। রাতের বেলায় খেতে বসে তিনি বাড়ির মালিককে জিজ্ঞেস করেছিলেন তার বাড়িতে কোনো তেলাপোকা আছে কিনা। উত্তরে লোকটি জানায়, “খুব বেশি একটা নেই। আর ওগুলো যাতে ভয় পেয়ে চলে যায়, সেজন্য একটাকে মেরে দেয়ালে পিন দিয়ে আটকে রেখেছি!” এ কথা শুনে রাজা মাথা ঘুরিয়ে তার ঠিক সামনেই তেলাপোকাটিকে দেয়ালে ঝুলে থাকতে দেখলেন। এরপর আর কোনো কথা না বলে উঠে দাঁড়িয়েই সজোরে ঘুষি চালিয়ে দিলেন লোকটির মুখে। এরপর সভাসদবর্গকে নিয়ে রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে তখনই বাড়িটি ত্যাগ করেন তিনি।

৫) মুয়াম্মার গাদ্দাফী


লিবিয়ার সাবেক একনায়ক মুয়াম্মার গাদ্দাফীর ভয় ছিলো উচ্চতা আর সমুদ্রের উপর দিয়ে দীর্ঘকালীন বিমান ভ্রমণ নিয়ে। উইকিলিক্সের ফাঁস হওয়া নথিপত্র থেকে জানা যায় যে, গাদ্দাফী টানা আট ঘণ্টার বেশি সমুদ্রের উপর বিমান ভ্রমণ সহ্য করতে পারতেন না। এজন্য ছোটাছুটি করা লাগতো তার কর্মচারীদের। একবার শুধুমাত্র এ কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যাবার পথে যাত্রাবিরতি করা হয়েছিলো পর্তুগালে। আবার ভেনেজুয়েলা থেকে লিবিয়া ফেরার পথেও একবার এ ভীতির কারণেই যাত্রাবিরতি করা হয়েছিলো নিউফাউন্ডল্যান্ডে।

৬) কিল জং ইল


উত্তর কোরিয়ার সাবেক শাসক কিম জং ইল ভয় পেতেন আকাশপথে যেকোনো ধরনের ভ্রমণকেই। এজন্য দরকারে তিনি সাঁজোয়া ট্রেনে চড়ে দূরে কোথাও ভ্রমণে যেতেন, তাও বিমানে চড়ে নয়। এমনকি সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পূর্ব ইউরোপে রাষ্ট্রীয় সফরেও তিনি গিয়েছিলেন ট্রেনে চড়েই।

এ ভয়ের পেছনে অবশ্য বিভিন্ন কারণও জড়িত ছিলো। উত্তর কোরিয়ায় নিযুক্ত সাবেক সুইডিশ রাষ্ট্রদূত ইনগলফ কীসফ জানান, জং ইলের কপাল থেকে মাথা পর্যন্ত বেশ বড় রকমের একটি কাটা দাগ ছিলো। ধারণা করা হয়, ১৯৭৬ সালে এক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার শিকার হয়েই চিরস্থায়ী এ ক্ষতটি পান তিনি। সেই দুর্ঘটনায় ভালোই আহত হয়েছিলেন কিম জং ইল। দুর্ঘটনার দুঃসহ স্মৃতি তাকে তাড়িয়ে বেড়িয়েছে বহুকাল।

১৯৮২ সালে IL-62 মডেলের পাঁচটি বিমান কেনা হয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে, উদ্দেশ্য ছিলো সেগুলোকে কিমের যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করা হবে। কিন্তু এক টেস্ট ফ্লাইটের সময় তার সামনেই ধ্বংস হয়ে যায় একটি বিমান, যার ফলে পাইলট সহ মারা যান তাতে থাকা ১৭ জন যাত্রী।

এসব দুর্ঘটনাই কিম জং ইলকে বিমানযাত্রী হতে নিরুৎসাহিত করেছে ভীষণভাবে। তবে দেশটির বর্তমান শাসক কিম জং উনের আবার বাবার মতো বিমান ভ্রমণ নিয়ে এমন কোনো ভীতি নেই।

ঘুম আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য একটি বিষয়। সারা দিন অক্লান্ত পরিশ্রমের পর যদি রাতে শান্তিমতো ঘুম না হয় তবে পুরো ব্যাপারটিই অভিশাপের শামিল মনে হয়। এতে করে ঘুম থেকে জাগার পরেও আপনি অনেকক্ষণ ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত বোধ করেন।


কিন্তু আপনি কী জানেন, আমাদের সাধারণ কয়েকটি অভ্যাসের জন্যই রাতের পর রাত ঘুমহীন অবস্থায় থাকছি আমরা? চলুন তবে সে অভ্যাসগুলোর ব্যাপারে জেনে আসা যাক, তবেই সেগুলো এড়িয়ে চলা সহজ হবে-

ঘরের ভুল তাপমাত্রা


উষ্ণতার মধ্যে ঘুমোতে খুব ভালো লাগে কিন্তু তাপমাত্রা অবশ্যই ১৫ থেকে ২৩ ডিগ্রী সেলসিয়াসের মধ্যে রাখা উচিত। আপনি হালকা একটি চাদর মুড়িয়ে ঘুমোতে পারেন, তাহলে অসুস্থ হবার সম্ভাবনা থাকবে না এবং আপনি আরামে ঘুমোতে পারবেন।

ব্যায়াম করা


শারীরিক ব্যায়াম আমাদের রক্ত চলাচল প্রক্রিয়াকে সচল রাখে এজন্যই ব্যায়াম করার পর পরই ঘুমানো বেশ কঠিন এবং সমস্যাপূর্ণ হয়ে থাকে। এ সমস্যা দূর করার জন্য ঘুমানোর অন্তত তিন ঘণ্টা আগে ব্যায়াম করুন।

নিয়মানুবর্তিতার অভাব

সম্পূর্ণরুপে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য আপনার শরীরের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সময়ের দরকার আছে। প্রতিদিনই একটি সময়সীমা ধরে ঘুমানো এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করতে হবে। ছুটির দিনে একটু বেশি ঘুমিয়ে নিলে সারা সপ্তাহের চাহিদা পূরণ হবেনা কোনভাবেই। সেজন্যে প্রতি রাতে ১০টা থেকে ১টার মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়ুন।

আলো


আপনি জানেন, ঘরের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম আলো কিংবা এলইডি লাইট ও আপনার ঘুমের ক্ষতি করতে পারে। ঘর যত অন্ধকার হবে ততো ঘুম প্রগাড় হবে। আপনি চাইলে চোখে ‘স্লিপিং মাস্ক’ ও ব্যবহার করতে পারেন।

কোলাহল


যেকোন ধরনের কোলাহল আপনার ঘুমের ক্ষেত্রে বড় ধরনের শত্রুর ভূমিকা পালন করে। সেজন্য চেষ্টা করুন শোবার ঘর যেন একদম নীরব ও কোলাহলমুক্ত থাকে।

বিছানায় কাজ টেনে আনা
কিছু মানুষ বিছানায় ঘুমানোর পরিবর্তে ল্যাপটপ, মোবাইল ও বই দিয়ে একদম ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখেন। রাতে ভালো ও পরিপূর্ণ ঘুম পেতে চাইলে এ অভ্যাস একদম বাদ দিতে হবে। শোবার ঘরের বাইরে সকল কাজ রেখে আসুন।

ক্যাফেইন
আমরা সকলেই এ সত্য জানি যে ক্যাফেইন আমাদের ঘুম থেকে দূরে রাখে। শুধু কফিতে নয়, চা এবং চকলেটেও কিন্তু ক্যাফেইন থাকে। সুতরাং, সন্ধ্যার পর থেকে ক্যাফেইন গ্রহনের পরিমাণ কমিয়ে দিন যতটুকু সম্ভব।  

জোর করে ঘুমোতে যাওয়া
অনেকেই ইচ্ছার বিরুদ্ধে এই ভেবে ঘুমোতে যান যে, ঘুম আপনাআপনিই চলে আসবে। কিন্তু এমনটা কিন্তু হয়না। আপনার যদি টানা বিশ মিনিটেও ঘুম না আসে তবে বিছানা থেকে উঠে পড়ুন এবং একটি বই পড়া শুরু করুন। এতে করে ধীরে ধীরে ঘুম চলে আসবে।

অ্যালকোহল

যদিও অ্যালকোহল পানে ঘুমের গতি ত্বরান্বিত হয় কিন্তু এটি খুব নেতিবাচকভাবে চোখের গতির উপর প্রভাব ফেলে এবং আপনি ক্লান্ত হয়ে জাগ্রত হোন। ঘুমানোর অন্তত দু’ঘণ্টা আগে পান করুন খুব দরকার পড়লে। সবচেয়ে ভালো হয় অ্যালকোহল পান একেবারে বন্ধ করে দিলে।

মানসিক ধকল


আমরা প্রতিনিয়ত অসম্ভব মানসিক ধকলে থাকি এবং প্রায়শই বিশ্রাম নেওয়ার কথা ভুলে যাই। এতে করে আমাদের ঘুমের পরিমাণ খুব কমে যায় এবং দিনের পর দিন মানসিকভাবে আমরা প্রচণ্ড দুর্বল অনুভব করতে থাকি।
ঘুমের আগে সব ধরনের চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। সংখ্যা গুনতে থাকুন কিংবা প্রিয় কোন স্মৃতি মনে করতে করতে ঘুমাতে পারেন।
রাতে ঘুমোতে গেলেই আপনি অনিদ্রা কিংবা দেরিতে ঘুমের সমস্যায় ভুগছেন? এ ছোট্ট উপায়গুলো অনুসরণ করে দেখুন। ভাল ফল পাবেন। 

আমরা সবাই বড় বড় বাড়িতে থাকতে পছন্দ করি কিন্তু কিছু কিছু মানুষ আছে যারা ছোট কিন্তু মনের মত করে বাড়ি বানিয়ে সারা জীবন সেখানেই থাকতে চাই।

বিডি লার্ন জোন আমরা বিশ্বের সবচেয়ে অনন্য ঘরগুলির একটি তালিকা তৈরি করেছি যা দেখলে আপনাকে সেই বাড়িগুলোতে থাকতে মন চাইবে।

১৩।হেলোডোম, ফ্রান্স(Heliodome, France)


এই বাড়িটি ফ্রান্সের হেলিওডোম এ অবস্থিত বাড়িটিতে সৌর প্যানেলগুলি শীতকালে ঠাণ্ডা থাকার এবং শীতকালে গরম গরম করার জন্য সাহায্য করে। এই বাড়িটিতে আপানি একবার ডুকলে কয়েকদিন না থাকলে ভালই লাগবে না।

১২। হাউট্যাট 67, মন্ট্রিল, কানাডা(Habitat 67, Montreal, Canada)


একটি একটি করে ব্লক বানিয়ে বিশাল একটি ব্লক বাড়ি হইয় এই বাড়িটি না দেখেলে বুঝা যাই না।কে জানত যে ব্লকগুলি একে অপরকে উপরে আটকে রেখে অ্যাপার্টমেন্টগুলির একটি ব্লক তৈরি করতে পারে? এই এই আশ্চর্যজনক গঠনের বাড়িটির নাম হাউট্যাট 67, মন্ট্রিল, কানাডা। এই বাড়িটি দেখলে প্রথমে আপনার গবেষণাগার মনে হতে পারে কিন্তু এটা আসলে একটি থাকার বাড়ি।

১১। ফিট্রোরো সুইডেন (Futuro, Sweden)


Futuro একটি prefabricated মহাকাশযান-আকৃতির ঘর Matti Suuronen এই সুন্দর বাড়িটি ডিজাইন করেছে। এই বাড়ি গুলো আপনি বিশ্বের বহু দেশে দেখতে পাবেন।কিন্তু  অধিকাংশ বাড়ি ফিনল্যান্ডে অবস্থিত।

১০। মিরর হাউস, ইতালি (The Mirror House, Italy)


এই বাড়িটির নাম মিরর হাউস । বাড়িটির সকল ওয়াল আয়না দিয়ে বানানো তাই আপনি হঠাৎ দেখলে চমকে যেতে পারেন। এইবাড়িটি আপনি যখনেই দেখবেন তখন নতুন বাড়ি মনে হবে। আপনি চাইলে ছুটির দিনে এই বাড়িটিতে থাকার জন্য ভাড়া নিতে পারেন।

৯। মেকানিক্যাল হাবীবট হাউস, চেক প্রজাতন্ত্র (The Mechanical Hobbit House, Czech Republic) 

চেক প্রজাতন্ত্রের এই মেকানিক্যাল হাবীবট-বাড়িটি ইকো-লাইভিং এবং ইকো-হাউজিং-এর জন্য অনেক পুরষ্কার লাভ করেছে। এটি নির্মাণ করা হয়েছে প্রায় 3 দশক ধরে।


৮।নটিলাস হাউস, মেক্সিকো (Nautilus House, Mexico) 


শিল্পের একটি সত্য টুকরা, জাভিয়ের সেনোসিয়েন দ্বারা নির্মিত মেক্সিকোয়ের নওকল্যান দ্য জুরেজে নটিলাস হাউস শুধুমাত্র একজনের জীবনকে উজ্জ্বল ও সুন্দর করে তুলতে পারে। সারা বছর ধরে জনসাধারণের দেখার জন্য এটি উন্মুক্ত।

৭।স্টোন হাউস, পর্তুগাল(Stone House, Portugal)

পর্তুগালের এই পাথর ঘর একটি প্রাইভেট সম্পত্তি, একটি বেড়া দ্বারা বেষ্টিত। এটি অবশ্যই এমন কটি সময় সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দেয় যখন মানুষ গুহায় বসবাস করত কারণ পুরো বাড়িটি একটি পাথরের মধ্যে আবধ্য হয়।  এখনো সেখানে মানুষ থাকে।

৬। রটারডাম কিউবিক হাউস, নেদারল্যান্ডস(Rotterdam Cubic Houses, The Netherlands)


এই বাড়িটি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন এই বাড়ি গুলো মানুষের অনেক মনোযোগ কারে। আপনি চাইলে নেদারল্যান্ডস এর বাড়িগুলোতে সপরিবারে মিলে থাকতে পারে।


৫। জুতা হাউস, নেদারল্যান্ডস(Shoe House, The Netherlands)


নেদারল্যান্ডের একটি পার্কের এই জুতা ঘরটি এত সুন্দর এবং আরামদায়ক যে এটি দেখতে অবিকল কার্টুন এর বাড়ির মত।  এটি একই নামের একটি 1990 সালের ডাচ কার্টুন থেকে অ্যালফ্রেড জে। কোয়াকের বাড়ি।


৪। জুতা হাউস, দক্ষিণ আফ্রিকা(Shoe House, South Africa)
আরেকটি জুতো হাউস দক্ষিণ আফ্রিকান প্রদেশের এমপুমালাঙ্গায় অবস্থিত এবং এটি 1990 সালে নির্মিত হয়েছিল উদ্যোক্তা এবং শিল্পী রন ভ্যান জিল। এটি পুরাতন নার্সারি ছড়া দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিল "সেখানে ছিল একটি পুরানো নারী যিনি একটি জুতো মধ্যে বসবাস করত।"  এটি এখন শিল্পীর কাজগুলির সাথে একটি যাদুঘর, এবং এটি একটি সম্পূর্ণ জটিল একটি অংশ যা একটি গেস্ট হাউস, একটি রেস্টুরেন্ট, একটি সুইমিং পুল, এবং একটি curio দোকান অন্তর্ভুক্ত।


৩।বায়োমোফিক হাউস, ইসরায়েল(Biomorphic House, Israel)


ইসরাইলের নহুহাশায় এই ঘরটি নির্মিত হয়েছিল ফরাসি স্থপতি ইফ্রয়িম হেনরি প্যাভি দ্বারা। এটি ইকো-বন্ধুত্বপূর্ণ এবং তাই অত্যাশ্চর্য দেখাচ্ছে আপনি অবশ্যই একদিন এটি কিনতে চাইবেন!


২। আপস ডাউন ডাউন হাউস, জার্মানি(Upside-Down House, Germany)


গেটরফের একটি চিড়িয়াখানা, জার্মানি, এমন একটি বাড়ি পেয়েছে যা সাধারণ থেকে অনেক দূরে - এটি তার ছাদের উপর দাঁড়িয়ে আছে! দর্শকরা সারা বছর অনুমতি আছে, তাই আপনি চাইলে দেখতে যেতে পারে সাথে একরাত থেকে যেতে পারেন।


১। টয়লেট হাউস, কোরিয়া(Toilet House, Korea)


হ্যাঁ, এটি একটি মিঃ টয়লেট হাউস। দক্ষিণ কোরিয়া সুওয়ান সিটিতে অবস্থিত এই টয়লেট-আকৃতির বিল্ডিংটি সারা বছর পরিদর্শন করার জন্য উন্মুক্ত। এটি প্রদর্শনী এবং কনসার্টের মতো অনুষ্ঠানগুলিও আয়োজন করে।

শিশুর মেধা বিকাশে খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে কিছু খাবার আছে, যা নিয়মিত গ্রহণের ফলে শিশুর মনোযোগ, স্মরণশক্তি এমনকি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

শিশুর মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এই ১০টি খাবার।
বর্তমান ভেজালের যুগে সঠিক, ভেজালমুক্ত খাবার পাওয়া দুষ্কর। আর শিশুরা যা খাচ্ছে তা সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিশুর মস্তিষ্কে। তাই শিশুর খাবারের উপর বিশেষ নজর রাখা প্রয়োজন। কিছু খাবার আছে যা শিশুর মস্তিষ্কের উন্নতি সাধন করে। আপনার শিশুর মস্তিষ্কের উন্নতি সাধনের জন্য প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় রাখুন এই খাবারগুলো।

১। টকদই

কিছু কিছু ফ্যাট স্বাস্থ্যের জন্য এমনকি মস্তিষ্কের জন্য উপকারী। টকদইয়ের প্রোটিন মস্তিষ্কের কোষের উন্নতি সাধন করে। শুধু তাই নয়, মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে টকদই। মিষ্টি খাবার অথবা ফলের সাথে টকদই মিশিয়ে শিশুকে খাওয়াতে পারেন।

২। ডিম

বেথ স্যালটেজ বলেন “ ডিমের প্রোটিন এবং পুষ্টি উপাদান শিশুর মনোযোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে”। ডিমে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, জিঙ্ক ইত্যাদি যা মস্তিষ্কে কোষ তৈরি করে। যত বেশি কোষ তৈরি হবে স্মৃতিশক্তি ততই বৃদ্ধি পায়।

৩। মাছ

বাচ্চারা মাছ পছন্দ করে না। কিন্তু এই মাছকে সুপার ফুড বলা হয়। ওমেগা থ্রি এবং ভিটামিন ডি স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে এবং মেমরি লস হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে। সামুদ্রিক মাছ যেমন স্যামন, টুনা, সার্ডেন ইত্যাদি মাছে প্রচুর পরিমাণ ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। বোনিয়া টুবা ডিক্স বলেন “যত বেশি ওমেগা থ্রি মস্তিষ্ক পাবে তত বেশি শিশুর মনযোগ বৃদ্ধি পাবে”।

৪। পানি

খাদ্য হিসেবে পানিকে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না। অথচ শরীরে পানির অভাব দেখা দিলে তার প্রভাব সরাসরি মস্তিষ্কের উপর পড়ে থাকে। শিশুর স্মরণশক্তি বৃদ্ধিতেও পানি ভূমিকা রাখে। প্রতিবেলা খাবার গ্রহণের পর পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করছে কিনা নজর রাখুন। পানি পান করতে না চাইলে পানির পরিবর্তে ফলের জুস পান করতে পারেন।

৫। ওটমিল

ফাইবার এবং প্রোটিনের প্রধান উৎস হলো ওটমিল। এটি মস্তিষ্ক এবং হৃদযন্ত্রের ধমনী পরিষ্কার রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশুরা নিয়মিত ওটমিল গ্রহণ করেন তাদের স্মৃতিশক্তি অন্যদের তুলনায় বেশি তীক্ষ্ণ হয়। সকালের কিংবা বিকালের নাস্তায় শিশুকে ওটমিল দিতে পারেন।

৬। বাদাম

প্রোটিন, ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এবং মিনারেল সমৃদ্ধ বাদাম মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। সকালের নাস্তায় পিনাট বাটার রাখুন। অথবা প্রতিদিন এক মুঠো বাদাম খাওয়ানোর অভ্যাস করুন।

৭। আপেল এবং আলু বোখরা

অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ আপেল মস্তিষ্কের কোষ সচল রাখে। শিশুদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে এই ফল দুটি বেশ কার্যকর। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকা এই দুটি ফল রাখার চেষ্টা করুন।

৮। ব্রকলি এবং ফুলকপি

ব্রকলিতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন কে রয়েছে যা ব্রেইনপাওয়ার বাড়ায়। কাঁচা সালাদ হিসেবে অথবা রান্না করে ব্রকলি শিশুকে খাওয়াতে পারেন। ব্রকলির মত আরেকটি সবজি হল ফুলকপি। ব্রকলির পরিবর্তে ফুলকপি খাওয়াতে পারেন।

৯। মিষ্টি কুমড়োর বীচি

মিষ্টি কুমড়োর বীচিতে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক রয়েছে। জিঙ্ক স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে ভূমিকা পালন করে। সালাদ কিংবা ফলের সাথে এক মুঠো মিষ্টি কুমড়োর বীচি ভেজে দিতে পারেন।

১০। দুধ

প্রোটিন, ভিটামিন ডি, ফসফরাস এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার দুধ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি, এটি আমরা সবাই জানি। দুধের ক্যালসিয়াম শরীরে এর্নাজি বৃদ্ধি করে এবং শরীরে প্রয়োজনীয় ইনসুলিন তৈরি করে।

আপনি কি স্টুডেন্ট হিসেবে ভালো না? পড়াশোনায় মন বসে না? পড়াশোনার চেয়ে অন্যান্য বিষয়ে আগ্রহ বেশি? তাহলে হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। আপনার মাঝে সফল ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য আছে। অর্থাৎ আপনার ভবিষ্যতে সফল ব্যক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভাবছেন কীভাবে? তাহলে শুনুনু। ওয়াল্ট ডিজনি, যিনি আমেরিকার একজন বিখ্যাত উদ্যোক্তা, অ্যানিমেটর, কণ্ঠশিল্পী এবং ফিল্ম প্রডিউসার ছিলেন এবং যিনি আমাদের সবার মাঝে এক কল্পনার রাজ্য উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন তিনি পড়াশোনায় খুব খারাপ ছিলেন।



থমাস আলভা এডিসন, যিনি বাল্ব এর উজ্জ্বলতা দিয়ে আমাদের চারপাশের অন্ধকার দূর করেছিলেন তিনিও ডিস্লেক্সিক (পড়া, লেখা, বানান করে শেখার এক সাধারণ সমস্যা) ছিলেন। আবার উইনস্টন চার্চিল, যিনি বিশিষ্ট বক্তা ও কূটনীতিজ্ঞ ব্যক্তি এবং লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি, যিনি বিখ্যাত মোনালিসার সৃষ্টিকর্তা, তাদের দুজনেরও লেখাপড়ায় অনীহা ছিল। সত্যি বলতে কি, প্রকৃতি আমাদের অনেকসময় ভুলভাবে উপস্থাপন করে। যারা প্রাতিষ্ঠানিক নথিতে ব্যর্থ ও অদক্ষ হিসেবে নাম লেখান তারাই জীবনে এমন সফল ব্যক্তিতে পরিণত হন যাদের জন্য আমরা প্রতিনিয়ত গর্ববোধ করি। এই ব্যক্তিগুলো তারই উদাহরণ। কিন্তু জানেন কি, এই সফল ব্যক্তিগুলো কেন স্কুলজীবনে ভালো করেন না? কারণ-

১. তারা সবসময় ছকের বাইরে চিন্তা করেন

আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছেন, ‘জ্ঞানের চেয়ে কল্পনাশক্তি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ’। রীতিবিরুদ্ধ বিষয়গুলো সবসময়ই সফল ব্যক্তিদের তাড়া করে বেড়ায়। তারা নিয়মের বাইরে গিয়ে স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন এবং নিজের চিন্তা-ভাবনা দিয়ে নতুন আইডিয়া বের করার চেষ্টা করেন। তাদের অনেকের কাছেই স্কুলকে জেলখানা ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না। কেননা স্কুলের ধরাবাঁধা নিয়মের ভেতরে তাদের অনুভূতি ও চিন্তাগুলো ডানা মেলতে পারে না। অন্তর্নির্মিত ক্ষমতাসম্পন্ন এই ব্যক্তিগুলো কারাবাসসদৃশ স্কুলের নিয়মগুলোকে তাই কখনই মেনে নিতে পারেন না। আর এজন্যই তারা সবসময়ই ছক ভাঙার চেষ্টায় নিয়োজিত থাকেন।

২. তারা বইয়ের পোকা নন

আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছেন, ‘যারা মাত্রাতিরিক্ত বই পড়েন এবং নিজের মস্তিষ্ককে কম কাজে লাগান তাদের চিন্তা-ভাবনার অভ্যাসে মূলত অলসতা চলে আসে।’ কিছু মানুষ আছে যারা পরীক্ষা প্রস্তুতিতে বই ছাড়া কিছুই বোঝেন না। তারা পাঠ্য-পুস্তকেই সবসময় মাথা ডুবিয়ে রাখেন। এরা আসলে বাস্তব জগৎ থেকে অনেকটা দূরে। কিন্তু সফল ব্যক্তিরা মূলত পড়াশোনা এবং জ্ঞান আহরণের মাঝে পার্থক্য বোঝেন। আর সেই জ্ঞান দিয়ে কী করে পরের উপকার করা যায় তা বের করার চেষ্টা করেন। তারা জানেন যে, বই পড়ে যেটুকু জানা যাবে বাস্তবিক অনুশীলনে তার চেয়ে অধিক গুণ বেশি জানা যাবে। আর এ কারণেই তারা একেবারেই বইয়ের ভিতরে নিজেকে বেঁধে রাখেন না বরং প্রকৃতির উন্মুক্ত দ্বারেও জ্ঞান আহরণের জন্য নিজেকে পরিচালনা করেন।

৩. তারা আত্ম-শিক্ষণে বিশ্বাসী

আমেরিকার উদ্যোক্তা, লেখক এবং মেটিভেশনাল স্পিকার জিম রোহান বলেন, ‘প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা হয়ত তোমাকে জীবিকা দিবে কিন্তু আত্ম-শিক্ষা তোমাকে একটি ভাগ্য দিবে।’ অনেকেই কেন স্কুলকে পরম শিক্ষার স্থান মনে করছেন না? কারণ, তারা এর চেয়ে আত্ম-শিক্ষণ পদ্ধতিকে বেশি গুরুত্ব দেন। সফল ব্যক্তিরা মনে করেন, স্কুলের নির্দিষ্ট সিলেবাস কোনো বিষয়ের নির্দিষ্ট অংশই শেখায় কিন্তু আত্ম-শিক্ষণের কোনো নির্দিষ্ট সিলেবাস নেই। তাই তারা ইচ্ছামতো শিখতে পারেন, জানতে পারেন। ফলে একপর্যায়ে আত্মশিক্ষা-ই তাদের কাছে প্রিয় শিক্ষকে পরিণত হয়।

৪. তারা কারও অধীনে থাকতে পছন্দ করেন না

স্কুলজীবনটা বলতে গেলে এক ধরনের অধীনতা। ‘জ্বি স্যার’, ‘না স্যার’ এই করতেই যায়। সফল ব্যক্তিরা এই অধীনতা পছন্দ করেন না। জিম রোহান বলেন, ‘পরামর্শ নাও কিন্তু আদেশ না।’ স্কুলের কিছু নিয়ম-কানুন আছে। পাশাপাশি পড়াশোনা করার এক ধরনের আদেশও দেয়া হয়ে থাকে যা সফল ব্যক্তিরা একেবারেই পছন্দ করেন না। আর এ কারণেই তারা স্কুলে ভালো ছাত্রের অবস্থানে যেতে পারেন না।

৫. তারা গ্রেড সিস্টেমে নিজেদের যোগ্যতা পরিমাপ করেন না

মার্কিন সিনেটর চাক গ্র্যাসলে বলেন, ‘স্কুলের ভালো গ্রেড দিয়েই বোঝা যায় না যে একটা শিশু কতটা প্রতিভাসম্পন্ন এবং মেধাবী, কিন্তু বিশ্বের শিক্ষায় এটাই ভিন্ন এক উপায়।’ যারা নিয়মের ভিন্নতা চান এবং বিশ্বের বুকে তাদের নাম রেখে যেতে চান তারা বহুল প্রচলিত এই গ্রেড সিস্টেমে কখনই বিশ্বাসী হন না। তারা কখনই এই মানদন্ডে নিজের যোগ্যতাকে যাচাই করেন না। তারা পড়াশোনা করেন জানার জন্য, ক্লাসের সর্বোচ্চ নম্বরধারী ছাত্র হওয়ার জন্য নয়। আর এ কারণেই হয়ত তারা ক্লাসের ভালো ছাত্রটি হয়ে উঠতে পারেন না।

৬. সফলতাকে তারা ভিন্নভাবে পরিমাপ করেন

মাইক্রেসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বলেন, ‘আমি স্কুলের পরীক্ষায় কিছু বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছিলাম এবং আমার এক বন্ধু সব বিষয়েই কৃতকার্য হয়েছিল। এখন আমার সেই বন্ধুটি মাইক্রোসফটের একজন প্রকৌশলী এবং আমি মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা।’ একজন ব্যক্তির কোনটা থাকাটা বেশি জরুরি- একটা ভালো রেজাল্ট, একটা ভালো ডিগ্রি, একটা ভালো চাকরি? এমন অসংখ্য ডিগ্রিধারী ও ভালো রেজাল্ট করা ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে যাদের আমরা চিনিও না। কিন্তু যারা জীবনে সফল হয়েছেন এবং পৃথিবীর জন্য ভালো কিছু করে গেছেন তাদের বেশিরভাগেরই প্রাতিষ্ঠানিক রেজাল্ট ভালো ছিল না। তাদের কাছে সফলতা হলো আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা, জ্ঞান, সংকল্প এবং জ্ঞানালোকের মিশ্রণ। আর এ কারণেই তারা স্কুলের পরীক্ষার খাতায় হয়ত সফল হতে পারেননি।

৭. তারা রুটিন অনুসরণ করতে পছন্দ করেন না

সফল ব্যক্তিরা জীবনে কোনো ধরনের রুটিন-ই মানতে চান না বা পছন্দ করেন না। তারা মনে করেন, সারাদিন ক্লাসে বসে থেকে একঘেঁয়ে লেকচার শোনার চেয়ে বাস্তব জীবনের সতেজ অভিজ্ঞতা অর্জন করা বেশি আনন্দদায়ক। আর এই কারণেই তারা ক্লাসে মনোযোগী হন না।

৮. লক্ষ্য পূরণের অনুভূতি তাদের জীবনে তাড়াতাড়ি আসে

আমেরিকার বিখ্যাত রেডিও ব্যক্তিত্ব, লেখক, বক্তা আর্ল নাইটিঙ্গেল বলেন, ‘যাদের লক্ষ্য আছে তারাই জীবনে সফল হয় কারণ জানে যে তারা কোথায় যাচ্ছে।’ বলা হয় যে, সফল ব্যক্তিরা জন্ম থেকে মেধাবী হয়ে থাকেন যারা শুধু জীবনে চলার পথে তাদের দক্ষতাগুলো ঝালাই করে সামনে এগিয়ে যান। তারা জানেন যে তাদের জীবনের লক্ষ্য কী, তারা কী করতে চান? এই ব্যক্তিগুলো লক্ষ্য পূরণের অনুভূতিটা আগেই পেয়ে যান। আর যখনই জেনে ফেলেন যে তিনি কী করতে চান এবং কী হতে চান তখন তার স্কুলের একেঘেঁয়েমি পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ উঠে যায়। ফলে স্কুলের পরীক্ষার ফলাফলে ভালো করেন না।

৯. তারা ঝুঁকি গ্রহণকারী

ভারতের বিখ্যাত ব্যবসায় পুঁজিপতি, বিনিয়োগকারী এবং বিশ্বপ্রেমিক আজিম প্রেমজি বলেন, ‘যদি তোমার লক্ষ্য দেখে কেউ না হাসে তাহলে বুঝবে তোমার লক্ষ্য অনেক অনেক ছোট।’ সফল ব্যক্তিদের অভিধানে ‘নিরাপদ কাজ’ এই শব্দটি নেই। তারা কাজের ক্ষেত্রে সাহসী এবং একই সাথে আত্ম-ত্যাগী হয়ে থাকেন। তারা ঝুঁকি গ্রহণ করতে জানেন। জানেন, সেবাভিত্তিক যেকোনো উদ্যোগে বিভিন্ন ঝুঁকি আসতে পারে এবং তা প্রতিহত করার সাহসও রাখেন। সফল ব্যক্তিদের এই দুঃসাহস তাদের সব ধরনের ভয় কাটিয়ে দেয়, ফলতঃ তারা বিশ্বকে জয় করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ স্কুলের গণ্ডিটাকে জয় করতে পারেন না।

১০. তারা স্বপ্নবাজ হয়ে থাকেন

দিবাস্বপ্ন! এটা আসলে ততটা খারাপ না যতটা আমরা আমাদের শিক্ষকদের কাছ থেকে শুনে থাকি। বরং সেই স্বপ্নই আমাদের জন্য ক্ষতিকর যা আমাদেরকে জগৎ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে ফেলে। সফল ব্যক্তিরা স্বপ্নবাজ হয়ে থাকেন। তারা স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন। আবার সেই স্বপ্নকে বাস্তবেও পূরণ করেন। তারা স্বার্থহীন, মানুষের প্রয়োজনে লাগে এমন স্বপ্ন দেখতেই ভালোবাসেন। আর এই স্বপ্নের পিছনে ছুটতে ছুটতে স্কুলের নিয়মগুলো মানতে ভুলে যান। ফলে স্কুলের সেরা ছাত্রটি হতে পারেন না।

সফল হতে চাইলে সবাইকে খুশি রেখে চলতে পারবেন না আপনি। যতো বেশি আপনি কাউকে পাত্তা দিবেন, ততো কম আপনি পাত্তা পাবেন। এসব মানুষকে যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন এবং নিজের লক্ষ্য ও স্বপ্নের দিকে মনোযোগ দিন।

সফল হতে চাইলে এ ব্যাপারগুলো এড়িয়ে চলুন

বিষাক্ত মানুষ থেকে দূরে থাকুন। অনেক দেরি কিংবা অনেক দ্রুত বলতে কিছু নেই। আপনার ইচ্ছাশক্তি অনুযায়ী কাজ করুন। কিন্তু দরকারী ব্যাপার থেকে কিভাবে অদরকারী ব্যাপার আলাদা করবেন? আমরা একটি তালিকা তৈরি করেছি যেন আপনি সহজেই সাফল্যের রাস্তা খুঁজে পেতে পারেন। আজ আমাদের প্রতিবেদনের মূল বক্তব্য হলো- সফল হওয়ার জন্য কোন ব্যাপারগুলো এড়িয়ে চলবেন। চলুন জেনে আসা যাক-

অন্য মানুষের বিচার
এক সময় পুরো পৃথিবী নীরব হয়ে যাবে, তখন শুধুমাত্র আপনি নিজের বিবেককে শুনতে পাবেন। সেটিই আপনাকে জানান দিবে যে আদতে আপনার কী করা উচিত। সমস্যা হচ্ছে, আমরা প্রায়শই অন্য মানুষের মতামতকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে বসি যার দরুণ নিজের ইচ্ছা ও পছন্দের কথাই ভুলে যাই। তবে সফল হতে হলে এ অভ্যাস বদলাতে হবে। আপনার সফলতার জন্য আপনার কী দরকার, তা আপনি ছাড়া অন্য কেউ বুঝবেনা কখনোই।

অতীতের পুরনো স্মৃতিচারণ
অতীতে কি হয়েছে না হয়েছে তা হাজার চেষ্টা করলেও আপনি বদলাতে পারবেন না। তার দরকারও নেই। আপনি বরং নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করে যান। যে দিন চলে গিয়েছে তার কথা ভেবে সময় নষ্ট করার কোন মানেই হয় না।

কঠোর পরিশ্রমের পেছনের বেদনা
পৃথিবীতে দুই ধরনের বেদনা আছে। একটি হলো, যেটি আপনাকে কষ্ট দেয় এবং অপরটি হলো যেটি আপনাকে শিক্ষা দেয়। জীবনে যা যা কষ্ট আপনি পাছেন, সবগুলো থেকেই যদি শিক্ষা গ্রহণ করেন তবে আপনিই জয়ী হবেন। কোন কিছু অর্জন করতে হলে আপনাকে কষ্ট সহ্য করতে হবে, এটিই স্বাভাবিক। মনে রাখবেন, দিন শেষে কাজই কথা বলবে। সুতরাং, আপনি আপনার মতন কাজ করে যান।

হ্যাঁ এবং না বলা
আপনার নিজেরই এটা ঠিক করতে হবে যে কখন আপনি হ্যাঁ বলবেন এবং কখন না বলবেন। একেবারেই খুব বেশি চেষ্টা করার প্রয়োজন নেই, তাহলে আপনি বিভ্রান্ত হয়ে যাবেন। নিজের লক্ষ্যের দিকে মনোযোগ দিন। মানুষকে সন্তুষ্ট করতে করতে নিজেকে ভুলে যাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। এতে আপনার কোন লাভ হবে না।

অধৈর্যশীল চিন্তা
কঠোর পরিশ্রম করার সময় ধৈর্য ধারণ করা শিখুন। যতদূরই আপনি যান না কেন ধৈর্যকে আপনার সাথে রাখুন। অধৈর্যশীল চিন্তা আপনার সাফল্যের শিখরে পৌছতে বাধা সৃষ্টি করে। মাঝে মাঝে হয়তো ফল না পেয়ে কিংবা দেরিতে পেয়ে আপনি কষ্ট পাবেন কিন্তু হাল ছেড়ে দিলে চলবে না।

অনিয়ন্ত্রিত বিষয়সমূহ
কখনো কোন কাজ জোর করে করাতে চাইবেন না বরং সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে শিখুন। যা হবার তা হবেই। সমস্যাগুলোর কথা না ভেবে সমাধানের কথা চিন্তা করুন। প্রত্যেকটি পরিবর্তনের পেছনেই উদ্দেশ্য থাকে। প্রথম প্রথম হয়তো আপনার খুব কষ্ট হবে কিন্তু ধীরে ধীরে অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে।

প্রতিদিনের ছোটখাটো ব্যর্থতা
খারাপ দিন আসেই মানুষের জীবনে। কিন্তু সেটি কখনো থেমে থাকে না। মনে রাখবেন, আপনার ভুল থেকেই অনেক কিছু শেখার আছে। সুতরাং কোন ভুল কিংবা ব্যর্থতাকে সীমাবদ্ধতা না ভেবে আশীর্বাদ মনে করুন।

বিউটি স্ট্যান্ডার্ড
আপাতদৃষ্টিতে যেসব বিষয় আপনি সৌন্দর্য হিসেবে ধরে এসেছিলেন, সেগুলো বদলানোর সময় এসেছে এবার। ধবধবে সাদার দৃষ্টিকোণ থেকে এবার বের হয়ে বাদামী সৌন্দর্যকে আপন করে নিন।

ভয়-ভীতি
জীবন মানেই ঝুঁকি। আপনি যদি ঝুঁকি না নেন তবে কখনোই সামনে এগোতে পারবেন না। ভয়গুলোর সাথে মোকাবেলা করুন। থেমে থাকলে চলবে না।মনে রাখবেন, জীবন তার আপন গতিতেই এগিয়ে চলে।

মানসিক শঙ্কা
কষ্টের দিনগুলোতেও নিজের উপর ভরসা রাখুন। ভুল মানুষই করে। কেউ না জেনে ভুল করে, আবার কেউ কাউকে কষ্ট দেওয়ার জন্য ভুল করে। বিশ্বাস রাখুন, জীবন একদিন আপনাকে উপহার দিবেই। এই ভরসাই আপনাকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

Related Post

[random][carousel2][#e74c3c]
{picture#YOUR_PROFILE_PICTURE_URL} YOUR_PROFILE_DESCRIPTION {facebook#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {twitter#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {google#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {pinterest#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {youtube#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {instagram#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL}
Powered by Blogger.