Halloween party ideas 2015
Showing posts with label Fashion. Show all posts

দারুণ সুন্দর বিভিন্ন রঙের নেইলপলিশ দিয়ে নখ রাঙাতে এবং সাজাতে কে না ভালোবাসে! এখনকার সময়ে নারীরা শুধুই যে নেইলপলিশ দেন সেটা নয়, এটা এখন একটি আর্টের পর্যায়ে চলে গিয়েছে। নানান রকম চমৎকার নেইলআর্ট এখন সকলের কাছেই জনপ্রিয়।


তবে যতোই নেইলপলিশ ব্যবহার করা হোক অথবা নেইলআর্ট করা হোক না কেনো, নেইলপলিশ নখে ব্যবহারের কিছুদিনের মাঝেই সেটি তুলে ফেলতে হয়। সেক্ষেত্রে নেইলপলিশ রিমুভার অতি প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। কারণ, এই একটা জিনিস ছাড়া অন্য কোন উপায়ে নখের ক্ষতি না করে অল্প সময়ের মাঝে নেইলপলিশ তোলা সম্ভব হয় না।

দারুণ উপকারী এই নেইলপলিশ রিমুভার কি শুধুই নেইলপলিশ তোলার ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যায়? এতদিন ধরে নিশ্চয় এই জিনিসের শুধুমাত্র একটা ব্যবহারই জেনে আসছেন আপনি। আজকের এই ফিচার থেকে জেনে নিন দারুণ এই জিনিসের একদম অপ্রচলিত এবং দূর্দান্ত কিছু উপকারী ব্যবহার, যা আপনার প্রতিদিনের জীবনকে করে দেবে আরো কিছুটা সহজ।  

১/ চায়ের কাপ থেকে দাগ তুলে ফেলুন
নিয়মিত চা পান করার ফলে আপনার প্রিয় চায়ের কাপে যদি চায়ের বাজে দাগ বসে যায় তবে মন খারাপের কিচ্ছু নেই। আপনার নেইলপলিশ রিমুভার দিয়ে খুব সহজেই চায়ের কাপ থেকে জেদি দাগ তুলে ফেলতে পারবেন। কোন কাপড় কিংবা তুলার বলে নেইলপলিশ রিমুভার নিয়ে দাগের স্থানে ভালোভাবে ঘষুন। দেখবেন দাগ উঠে আসছে।

২/ পার্মানেন্ট মার্কারের দাগ ওঠাতে সাহায্য করবে
ভুলবশত পছন্দের জামাতে দাগ লেগে গিয়েছে? তাও আবার পার্মানেন্ট মার্কারের কালির দাগ? একদম চিন্তা না করে চটজলদি নেইলপলিশ রিমুভারটি হাতে নিয়ে নিন। কোন কাপড়ে অথবা তুলার বলে নেইলপলিশ রিমুভার লাগিয়ে কাপড়ের যে অংশে দাগ লেগেছে তার উপরে চক্রাক্রারে নেইলপলিশ রিমুভার লাগানো কাপড়টি ঘষুন। দেখবেন ধীরে ধীরে দাগ উঠে আসছে। পুরোপুরি দাগ উঠে না আসা পর্যন্ত এইভাবে ঘষতে থাকুন।

৩/ রেজর জীবাণুমুক্ত এবং দীর্ঘস্থায়ী করুন
আপনার ব্যবহৃত রেজরকে একই সাথে দীর্ঘস্থায়ী এবং জীবাণুমুক্ত করতে চাইলে শুধুমাত্র সাবান দিয়ে নিয়মিতভাবে পরিষ্কার করাটাই যথেষ্ট হবে না। এর জন্যে নেইলপলিশ রিমুভার দিয়ে সাবধানতার সাথে রেজর এবং রেজরের ব্লেড পরিষ্কার করুন নিয়মিত।

৪/ পছন্দের জুতা রাখুন একদম নতুন
আপনার পছন্দের জুতাকে একদম নতুনের মতো নতুন আর ঝকঝকে রাখতে চাইলে তোয়ালেতে নেইলপলিশ রিমুভার নিয়ে খুব ধীরে ধীরে জুতা পরিষ্কার করুন। জুতায় লেগে থাকা কাদা অথবা ময়লা খুব সহজে উঠে আসবে এবং জুতা দেখতে একেবারে নতুনের মতো লাগবে।

৫/ হাতে সুপারগ্লু লেগে গিয়েছে? কোন চিন্তা নেই
ঘরে বিভিন্ন রকম কাজের জিনিস ভেঙে যায় বলে সুপারগ্লু নিয়ে প্রায়ই নিশ্চয় অনেক নাড়াচাড়া করা হয়! সুপারগ্লু নিয়ে কাজ করতে গেলে হাতের আঙ্গুলে সুপারগ্লু লেগে যাবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে সুপারগ্লু খুব জেদি আঠা বলে পানি অথবা অন্য কোন কিছু দিয়েই সেই আঠা সরানো সম্ভব হয় না। হাতে এমনভাবে সুপারগ্লু লেগে গেলে এরপর থেকে আর দুশ্চিন্তা না করে নেইলপলিশ রিমুভারটা নিয়ে আক্রান্ত স্থানে আস্তে আস্তে ঘষতে থাকুন। দেখবেন শুকিয়ে যাওয়া আঠা উঠে আসছে।

৬/ পছন্দের হাত ঘড়ি থেকে ছোটখাটো দাগ ও স্ক্র্যাচ তুলে ফেলুন
প্রতিদিনের ব্যবহৃত হাতঘড়িটা আপনার নিজের খুব পছন্দের নিশ্চয়। প্রতিদিন ব্যবহার করা হয় বলে সেটিতে হয়তো অনেক দাগ এবং স্ক্র্যাচ পরে গিয়েছে। মন খারাপ না করে এক ফোঁটা নেইলপলিশ রিমুভার ঘড়ির উপরে দিয়ে দিন এবং পাতলা কোন কাপড় দিয়ে ধরে ধরে মুছে নিন। দেখবেন দাগ এবং স্ক্র্যাচ গায়েব হয়ে গিয়েছে।

৭/ কলমের কালি উঠিয়ে ফেলুন সহজেই
আপনার ছোট্ট সোনামণির স্কুলের ড্রেসে অনেকখানি কলমের দাগ লেগে গিয়েছে বলে দুশ্চিন্তা করছে? ড্রেসিং টেবিল থেকে নেইলপলিশ রিমুভারটা নিন, এরপর এক ভাগ নেইলপলিশ রিমুভার এবং দুই ভাগ পানি একসাথে মিশিয়ে কালি লাগা স্থানের উপর দিয়ে অন্য একটি কাপড় দিয়ে আস্তে আস্তে ঘষুন। কালি উঠে যাবে।

৮/ গ্লাস কিংবা বক্স থেকে স্টিকার তুলে ফেলুন
খুব পছন্দ করে কোন গ্লাস, বাটি কিংবা বক্স কিনে আনার পরে দেখলেন যে সেগুলোর গায়ে লেগে থাকা স্টিকার একেবারেই ওঠানো সম্ভব হচ্ছে না। অনেকবার করে পানি দিয়ে ধুয়ে, জালি দিয়ে ঘষার পরেও রয়ে যাচ্ছে আঠালো ভাব। মন খারাপ না করে নেইলপলিশ রিমুভার ব্যবহার করুন। দেখবেন কোন রকম কষ্ট ছাড়াই স্টিকার এবং আঠা উঠে আসবে।

৯/ কোন ব্যথা ছাড়াই জোঁক ছাড়িয়ে ফেলুন
ভ্রমণের জন্যে বের হলে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মাঝে নেইলপলিশ রিমুভার নিতে ভুলবেন না। পানিযুক্ত এলাকায় নামলে জোঁকের আক্রমণ হবেই, সেক্ষেত্রে ভয় না পেয়ে একেবারেই ব্যথাহীন ভাবে জোঁক ছাড়াতে চাইলে আক্রান্তস্থানে কিছুটা নেইলপলিশ রিমুভার ঢেলে দিন। দেখবেন জোঁক খসে পড়বে।

১০/ কিবোর্ড করুন পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত
ল্যাপটপ কিংবা পিসির যে অংশটি খুব কম পরিষ্কার করা হয় সেটির নাম সম্ভবত কিবোর্ড। কিন্তু এই কিবোর্ডটাই সবচাইতে বেশি ব্যবহার করা হয়। তাই এর যত্ন নেওয়াটাও প্রয়োজন। নেইলপলিশ রিমুভার কোন নরম কাপড় কিংবা তুলার বলে ভিজিয়ে নিয়ে কিবোর্ডের উপরে খুব যত্ন সহকারে ঘষুন। এতে আপনার কিবোর্ড পরিষ্কার তো হবেই, সাথে জীবাণুমুক্তও হবে। চাইলে মাউসও পরিষ্কার করতে পারেন এই পদ্ধতিতে।

আমরা সবাই বড় বড় বাড়িতে থাকতে পছন্দ করি কিন্তু কিছু কিছু মানুষ আছে যারা ছোট কিন্তু মনের মত করে বাড়ি বানিয়ে সারা জীবন সেখানেই থাকতে চাই।

বিডি লার্ন জোন আমরা বিশ্বের সবচেয়ে অনন্য ঘরগুলির একটি তালিকা তৈরি করেছি যা দেখলে আপনাকে সেই বাড়িগুলোতে থাকতে মন চাইবে।

১৩।হেলোডোম, ফ্রান্স(Heliodome, France)


এই বাড়িটি ফ্রান্সের হেলিওডোম এ অবস্থিত বাড়িটিতে সৌর প্যানেলগুলি শীতকালে ঠাণ্ডা থাকার এবং শীতকালে গরম গরম করার জন্য সাহায্য করে। এই বাড়িটিতে আপানি একবার ডুকলে কয়েকদিন না থাকলে ভালই লাগবে না।

১২। হাউট্যাট 67, মন্ট্রিল, কানাডা(Habitat 67, Montreal, Canada)


একটি একটি করে ব্লক বানিয়ে বিশাল একটি ব্লক বাড়ি হইয় এই বাড়িটি না দেখেলে বুঝা যাই না।কে জানত যে ব্লকগুলি একে অপরকে উপরে আটকে রেখে অ্যাপার্টমেন্টগুলির একটি ব্লক তৈরি করতে পারে? এই এই আশ্চর্যজনক গঠনের বাড়িটির নাম হাউট্যাট 67, মন্ট্রিল, কানাডা। এই বাড়িটি দেখলে প্রথমে আপনার গবেষণাগার মনে হতে পারে কিন্তু এটা আসলে একটি থাকার বাড়ি।

১১। ফিট্রোরো সুইডেন (Futuro, Sweden)


Futuro একটি prefabricated মহাকাশযান-আকৃতির ঘর Matti Suuronen এই সুন্দর বাড়িটি ডিজাইন করেছে। এই বাড়ি গুলো আপনি বিশ্বের বহু দেশে দেখতে পাবেন।কিন্তু  অধিকাংশ বাড়ি ফিনল্যান্ডে অবস্থিত।

১০। মিরর হাউস, ইতালি (The Mirror House, Italy)


এই বাড়িটির নাম মিরর হাউস । বাড়িটির সকল ওয়াল আয়না দিয়ে বানানো তাই আপনি হঠাৎ দেখলে চমকে যেতে পারেন। এইবাড়িটি আপনি যখনেই দেখবেন তখন নতুন বাড়ি মনে হবে। আপনি চাইলে ছুটির দিনে এই বাড়িটিতে থাকার জন্য ভাড়া নিতে পারেন।

৯। মেকানিক্যাল হাবীবট হাউস, চেক প্রজাতন্ত্র (The Mechanical Hobbit House, Czech Republic) 

চেক প্রজাতন্ত্রের এই মেকানিক্যাল হাবীবট-বাড়িটি ইকো-লাইভিং এবং ইকো-হাউজিং-এর জন্য অনেক পুরষ্কার লাভ করেছে। এটি নির্মাণ করা হয়েছে প্রায় 3 দশক ধরে।


৮।নটিলাস হাউস, মেক্সিকো (Nautilus House, Mexico) 


শিল্পের একটি সত্য টুকরা, জাভিয়ের সেনোসিয়েন দ্বারা নির্মিত মেক্সিকোয়ের নওকল্যান দ্য জুরেজে নটিলাস হাউস শুধুমাত্র একজনের জীবনকে উজ্জ্বল ও সুন্দর করে তুলতে পারে। সারা বছর ধরে জনসাধারণের দেখার জন্য এটি উন্মুক্ত।

৭।স্টোন হাউস, পর্তুগাল(Stone House, Portugal)

পর্তুগালের এই পাথর ঘর একটি প্রাইভেট সম্পত্তি, একটি বেড়া দ্বারা বেষ্টিত। এটি অবশ্যই এমন কটি সময় সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দেয় যখন মানুষ গুহায় বসবাস করত কারণ পুরো বাড়িটি একটি পাথরের মধ্যে আবধ্য হয়।  এখনো সেখানে মানুষ থাকে।

৬। রটারডাম কিউবিক হাউস, নেদারল্যান্ডস(Rotterdam Cubic Houses, The Netherlands)


এই বাড়িটি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন এই বাড়ি গুলো মানুষের অনেক মনোযোগ কারে। আপনি চাইলে নেদারল্যান্ডস এর বাড়িগুলোতে সপরিবারে মিলে থাকতে পারে।


৫। জুতা হাউস, নেদারল্যান্ডস(Shoe House, The Netherlands)


নেদারল্যান্ডের একটি পার্কের এই জুতা ঘরটি এত সুন্দর এবং আরামদায়ক যে এটি দেখতে অবিকল কার্টুন এর বাড়ির মত।  এটি একই নামের একটি 1990 সালের ডাচ কার্টুন থেকে অ্যালফ্রেড জে। কোয়াকের বাড়ি।


৪। জুতা হাউস, দক্ষিণ আফ্রিকা(Shoe House, South Africa)
আরেকটি জুতো হাউস দক্ষিণ আফ্রিকান প্রদেশের এমপুমালাঙ্গায় অবস্থিত এবং এটি 1990 সালে নির্মিত হয়েছিল উদ্যোক্তা এবং শিল্পী রন ভ্যান জিল। এটি পুরাতন নার্সারি ছড়া দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিল "সেখানে ছিল একটি পুরানো নারী যিনি একটি জুতো মধ্যে বসবাস করত।"  এটি এখন শিল্পীর কাজগুলির সাথে একটি যাদুঘর, এবং এটি একটি সম্পূর্ণ জটিল একটি অংশ যা একটি গেস্ট হাউস, একটি রেস্টুরেন্ট, একটি সুইমিং পুল, এবং একটি curio দোকান অন্তর্ভুক্ত।


৩।বায়োমোফিক হাউস, ইসরায়েল(Biomorphic House, Israel)


ইসরাইলের নহুহাশায় এই ঘরটি নির্মিত হয়েছিল ফরাসি স্থপতি ইফ্রয়িম হেনরি প্যাভি দ্বারা। এটি ইকো-বন্ধুত্বপূর্ণ এবং তাই অত্যাশ্চর্য দেখাচ্ছে আপনি অবশ্যই একদিন এটি কিনতে চাইবেন!


২। আপস ডাউন ডাউন হাউস, জার্মানি(Upside-Down House, Germany)


গেটরফের একটি চিড়িয়াখানা, জার্মানি, এমন একটি বাড়ি পেয়েছে যা সাধারণ থেকে অনেক দূরে - এটি তার ছাদের উপর দাঁড়িয়ে আছে! দর্শকরা সারা বছর অনুমতি আছে, তাই আপনি চাইলে দেখতে যেতে পারে সাথে একরাত থেকে যেতে পারেন।


১। টয়লেট হাউস, কোরিয়া(Toilet House, Korea)


হ্যাঁ, এটি একটি মিঃ টয়লেট হাউস। দক্ষিণ কোরিয়া সুওয়ান সিটিতে অবস্থিত এই টয়লেট-আকৃতির বিল্ডিংটি সারা বছর পরিদর্শন করার জন্য উন্মুক্ত। এটি প্রদর্শনী এবং কনসার্টের মতো অনুষ্ঠানগুলিও আয়োজন করে।

শিশুর মেধা বিকাশে খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে কিছু খাবার আছে, যা নিয়মিত গ্রহণের ফলে শিশুর মনোযোগ, স্মরণশক্তি এমনকি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

শিশুর মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এই ১০টি খাবার।
বর্তমান ভেজালের যুগে সঠিক, ভেজালমুক্ত খাবার পাওয়া দুষ্কর। আর শিশুরা যা খাচ্ছে তা সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিশুর মস্তিষ্কে। তাই শিশুর খাবারের উপর বিশেষ নজর রাখা প্রয়োজন। কিছু খাবার আছে যা শিশুর মস্তিষ্কের উন্নতি সাধন করে। আপনার শিশুর মস্তিষ্কের উন্নতি সাধনের জন্য প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় রাখুন এই খাবারগুলো।

১। টকদই

কিছু কিছু ফ্যাট স্বাস্থ্যের জন্য এমনকি মস্তিষ্কের জন্য উপকারী। টকদইয়ের প্রোটিন মস্তিষ্কের কোষের উন্নতি সাধন করে। শুধু তাই নয়, মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে টকদই। মিষ্টি খাবার অথবা ফলের সাথে টকদই মিশিয়ে শিশুকে খাওয়াতে পারেন।

২। ডিম

বেথ স্যালটেজ বলেন “ ডিমের প্রোটিন এবং পুষ্টি উপাদান শিশুর মনোযোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে”। ডিমে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, জিঙ্ক ইত্যাদি যা মস্তিষ্কে কোষ তৈরি করে। যত বেশি কোষ তৈরি হবে স্মৃতিশক্তি ততই বৃদ্ধি পায়।

৩। মাছ

বাচ্চারা মাছ পছন্দ করে না। কিন্তু এই মাছকে সুপার ফুড বলা হয়। ওমেগা থ্রি এবং ভিটামিন ডি স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে এবং মেমরি লস হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে। সামুদ্রিক মাছ যেমন স্যামন, টুনা, সার্ডেন ইত্যাদি মাছে প্রচুর পরিমাণ ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। বোনিয়া টুবা ডিক্স বলেন “যত বেশি ওমেগা থ্রি মস্তিষ্ক পাবে তত বেশি শিশুর মনযোগ বৃদ্ধি পাবে”।

৪। পানি

খাদ্য হিসেবে পানিকে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না। অথচ শরীরে পানির অভাব দেখা দিলে তার প্রভাব সরাসরি মস্তিষ্কের উপর পড়ে থাকে। শিশুর স্মরণশক্তি বৃদ্ধিতেও পানি ভূমিকা রাখে। প্রতিবেলা খাবার গ্রহণের পর পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করছে কিনা নজর রাখুন। পানি পান করতে না চাইলে পানির পরিবর্তে ফলের জুস পান করতে পারেন।

৫। ওটমিল

ফাইবার এবং প্রোটিনের প্রধান উৎস হলো ওটমিল। এটি মস্তিষ্ক এবং হৃদযন্ত্রের ধমনী পরিষ্কার রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশুরা নিয়মিত ওটমিল গ্রহণ করেন তাদের স্মৃতিশক্তি অন্যদের তুলনায় বেশি তীক্ষ্ণ হয়। সকালের কিংবা বিকালের নাস্তায় শিশুকে ওটমিল দিতে পারেন।

৬। বাদাম

প্রোটিন, ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এবং মিনারেল সমৃদ্ধ বাদাম মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। সকালের নাস্তায় পিনাট বাটার রাখুন। অথবা প্রতিদিন এক মুঠো বাদাম খাওয়ানোর অভ্যাস করুন।

৭। আপেল এবং আলু বোখরা

অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ আপেল মস্তিষ্কের কোষ সচল রাখে। শিশুদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে এই ফল দুটি বেশ কার্যকর। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকা এই দুটি ফল রাখার চেষ্টা করুন।

৮। ব্রকলি এবং ফুলকপি

ব্রকলিতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন কে রয়েছে যা ব্রেইনপাওয়ার বাড়ায়। কাঁচা সালাদ হিসেবে অথবা রান্না করে ব্রকলি শিশুকে খাওয়াতে পারেন। ব্রকলির মত আরেকটি সবজি হল ফুলকপি। ব্রকলির পরিবর্তে ফুলকপি খাওয়াতে পারেন।

৯। মিষ্টি কুমড়োর বীচি

মিষ্টি কুমড়োর বীচিতে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক রয়েছে। জিঙ্ক স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে ভূমিকা পালন করে। সালাদ কিংবা ফলের সাথে এক মুঠো মিষ্টি কুমড়োর বীচি ভেজে দিতে পারেন।

১০। দুধ

প্রোটিন, ভিটামিন ডি, ফসফরাস এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার দুধ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি, এটি আমরা সবাই জানি। দুধের ক্যালসিয়াম শরীরে এর্নাজি বৃদ্ধি করে এবং শরীরে প্রয়োজনীয় ইনসুলিন তৈরি করে।

আপনি কি স্টুডেন্ট হিসেবে ভালো না? পড়াশোনায় মন বসে না? পড়াশোনার চেয়ে অন্যান্য বিষয়ে আগ্রহ বেশি? তাহলে হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। আপনার মাঝে সফল ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য আছে। অর্থাৎ আপনার ভবিষ্যতে সফল ব্যক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভাবছেন কীভাবে? তাহলে শুনুনু। ওয়াল্ট ডিজনি, যিনি আমেরিকার একজন বিখ্যাত উদ্যোক্তা, অ্যানিমেটর, কণ্ঠশিল্পী এবং ফিল্ম প্রডিউসার ছিলেন এবং যিনি আমাদের সবার মাঝে এক কল্পনার রাজ্য উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন তিনি পড়াশোনায় খুব খারাপ ছিলেন।



থমাস আলভা এডিসন, যিনি বাল্ব এর উজ্জ্বলতা দিয়ে আমাদের চারপাশের অন্ধকার দূর করেছিলেন তিনিও ডিস্লেক্সিক (পড়া, লেখা, বানান করে শেখার এক সাধারণ সমস্যা) ছিলেন। আবার উইনস্টন চার্চিল, যিনি বিশিষ্ট বক্তা ও কূটনীতিজ্ঞ ব্যক্তি এবং লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি, যিনি বিখ্যাত মোনালিসার সৃষ্টিকর্তা, তাদের দুজনেরও লেখাপড়ায় অনীহা ছিল। সত্যি বলতে কি, প্রকৃতি আমাদের অনেকসময় ভুলভাবে উপস্থাপন করে। যারা প্রাতিষ্ঠানিক নথিতে ব্যর্থ ও অদক্ষ হিসেবে নাম লেখান তারাই জীবনে এমন সফল ব্যক্তিতে পরিণত হন যাদের জন্য আমরা প্রতিনিয়ত গর্ববোধ করি। এই ব্যক্তিগুলো তারই উদাহরণ। কিন্তু জানেন কি, এই সফল ব্যক্তিগুলো কেন স্কুলজীবনে ভালো করেন না? কারণ-

১. তারা সবসময় ছকের বাইরে চিন্তা করেন

আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছেন, ‘জ্ঞানের চেয়ে কল্পনাশক্তি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ’। রীতিবিরুদ্ধ বিষয়গুলো সবসময়ই সফল ব্যক্তিদের তাড়া করে বেড়ায়। তারা নিয়মের বাইরে গিয়ে স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন এবং নিজের চিন্তা-ভাবনা দিয়ে নতুন আইডিয়া বের করার চেষ্টা করেন। তাদের অনেকের কাছেই স্কুলকে জেলখানা ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না। কেননা স্কুলের ধরাবাঁধা নিয়মের ভেতরে তাদের অনুভূতি ও চিন্তাগুলো ডানা মেলতে পারে না। অন্তর্নির্মিত ক্ষমতাসম্পন্ন এই ব্যক্তিগুলো কারাবাসসদৃশ স্কুলের নিয়মগুলোকে তাই কখনই মেনে নিতে পারেন না। আর এজন্যই তারা সবসময়ই ছক ভাঙার চেষ্টায় নিয়োজিত থাকেন।

২. তারা বইয়ের পোকা নন

আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছেন, ‘যারা মাত্রাতিরিক্ত বই পড়েন এবং নিজের মস্তিষ্ককে কম কাজে লাগান তাদের চিন্তা-ভাবনার অভ্যাসে মূলত অলসতা চলে আসে।’ কিছু মানুষ আছে যারা পরীক্ষা প্রস্তুতিতে বই ছাড়া কিছুই বোঝেন না। তারা পাঠ্য-পুস্তকেই সবসময় মাথা ডুবিয়ে রাখেন। এরা আসলে বাস্তব জগৎ থেকে অনেকটা দূরে। কিন্তু সফল ব্যক্তিরা মূলত পড়াশোনা এবং জ্ঞান আহরণের মাঝে পার্থক্য বোঝেন। আর সেই জ্ঞান দিয়ে কী করে পরের উপকার করা যায় তা বের করার চেষ্টা করেন। তারা জানেন যে, বই পড়ে যেটুকু জানা যাবে বাস্তবিক অনুশীলনে তার চেয়ে অধিক গুণ বেশি জানা যাবে। আর এ কারণেই তারা একেবারেই বইয়ের ভিতরে নিজেকে বেঁধে রাখেন না বরং প্রকৃতির উন্মুক্ত দ্বারেও জ্ঞান আহরণের জন্য নিজেকে পরিচালনা করেন।

৩. তারা আত্ম-শিক্ষণে বিশ্বাসী

আমেরিকার উদ্যোক্তা, লেখক এবং মেটিভেশনাল স্পিকার জিম রোহান বলেন, ‘প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা হয়ত তোমাকে জীবিকা দিবে কিন্তু আত্ম-শিক্ষা তোমাকে একটি ভাগ্য দিবে।’ অনেকেই কেন স্কুলকে পরম শিক্ষার স্থান মনে করছেন না? কারণ, তারা এর চেয়ে আত্ম-শিক্ষণ পদ্ধতিকে বেশি গুরুত্ব দেন। সফল ব্যক্তিরা মনে করেন, স্কুলের নির্দিষ্ট সিলেবাস কোনো বিষয়ের নির্দিষ্ট অংশই শেখায় কিন্তু আত্ম-শিক্ষণের কোনো নির্দিষ্ট সিলেবাস নেই। তাই তারা ইচ্ছামতো শিখতে পারেন, জানতে পারেন। ফলে একপর্যায়ে আত্মশিক্ষা-ই তাদের কাছে প্রিয় শিক্ষকে পরিণত হয়।

৪. তারা কারও অধীনে থাকতে পছন্দ করেন না

স্কুলজীবনটা বলতে গেলে এক ধরনের অধীনতা। ‘জ্বি স্যার’, ‘না স্যার’ এই করতেই যায়। সফল ব্যক্তিরা এই অধীনতা পছন্দ করেন না। জিম রোহান বলেন, ‘পরামর্শ নাও কিন্তু আদেশ না।’ স্কুলের কিছু নিয়ম-কানুন আছে। পাশাপাশি পড়াশোনা করার এক ধরনের আদেশও দেয়া হয়ে থাকে যা সফল ব্যক্তিরা একেবারেই পছন্দ করেন না। আর এ কারণেই তারা স্কুলে ভালো ছাত্রের অবস্থানে যেতে পারেন না।

৫. তারা গ্রেড সিস্টেমে নিজেদের যোগ্যতা পরিমাপ করেন না

মার্কিন সিনেটর চাক গ্র্যাসলে বলেন, ‘স্কুলের ভালো গ্রেড দিয়েই বোঝা যায় না যে একটা শিশু কতটা প্রতিভাসম্পন্ন এবং মেধাবী, কিন্তু বিশ্বের শিক্ষায় এটাই ভিন্ন এক উপায়।’ যারা নিয়মের ভিন্নতা চান এবং বিশ্বের বুকে তাদের নাম রেখে যেতে চান তারা বহুল প্রচলিত এই গ্রেড সিস্টেমে কখনই বিশ্বাসী হন না। তারা কখনই এই মানদন্ডে নিজের যোগ্যতাকে যাচাই করেন না। তারা পড়াশোনা করেন জানার জন্য, ক্লাসের সর্বোচ্চ নম্বরধারী ছাত্র হওয়ার জন্য নয়। আর এ কারণেই হয়ত তারা ক্লাসের ভালো ছাত্রটি হয়ে উঠতে পারেন না।

৬. সফলতাকে তারা ভিন্নভাবে পরিমাপ করেন

মাইক্রেসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বলেন, ‘আমি স্কুলের পরীক্ষায় কিছু বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছিলাম এবং আমার এক বন্ধু সব বিষয়েই কৃতকার্য হয়েছিল। এখন আমার সেই বন্ধুটি মাইক্রোসফটের একজন প্রকৌশলী এবং আমি মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা।’ একজন ব্যক্তির কোনটা থাকাটা বেশি জরুরি- একটা ভালো রেজাল্ট, একটা ভালো ডিগ্রি, একটা ভালো চাকরি? এমন অসংখ্য ডিগ্রিধারী ও ভালো রেজাল্ট করা ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে যাদের আমরা চিনিও না। কিন্তু যারা জীবনে সফল হয়েছেন এবং পৃথিবীর জন্য ভালো কিছু করে গেছেন তাদের বেশিরভাগেরই প্রাতিষ্ঠানিক রেজাল্ট ভালো ছিল না। তাদের কাছে সফলতা হলো আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা, জ্ঞান, সংকল্প এবং জ্ঞানালোকের মিশ্রণ। আর এ কারণেই তারা স্কুলের পরীক্ষার খাতায় হয়ত সফল হতে পারেননি।

৭. তারা রুটিন অনুসরণ করতে পছন্দ করেন না

সফল ব্যক্তিরা জীবনে কোনো ধরনের রুটিন-ই মানতে চান না বা পছন্দ করেন না। তারা মনে করেন, সারাদিন ক্লাসে বসে থেকে একঘেঁয়ে লেকচার শোনার চেয়ে বাস্তব জীবনের সতেজ অভিজ্ঞতা অর্জন করা বেশি আনন্দদায়ক। আর এই কারণেই তারা ক্লাসে মনোযোগী হন না।

৮. লক্ষ্য পূরণের অনুভূতি তাদের জীবনে তাড়াতাড়ি আসে

আমেরিকার বিখ্যাত রেডিও ব্যক্তিত্ব, লেখক, বক্তা আর্ল নাইটিঙ্গেল বলেন, ‘যাদের লক্ষ্য আছে তারাই জীবনে সফল হয় কারণ জানে যে তারা কোথায় যাচ্ছে।’ বলা হয় যে, সফল ব্যক্তিরা জন্ম থেকে মেধাবী হয়ে থাকেন যারা শুধু জীবনে চলার পথে তাদের দক্ষতাগুলো ঝালাই করে সামনে এগিয়ে যান। তারা জানেন যে তাদের জীবনের লক্ষ্য কী, তারা কী করতে চান? এই ব্যক্তিগুলো লক্ষ্য পূরণের অনুভূতিটা আগেই পেয়ে যান। আর যখনই জেনে ফেলেন যে তিনি কী করতে চান এবং কী হতে চান তখন তার স্কুলের একেঘেঁয়েমি পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ উঠে যায়। ফলে স্কুলের পরীক্ষার ফলাফলে ভালো করেন না।

৯. তারা ঝুঁকি গ্রহণকারী

ভারতের বিখ্যাত ব্যবসায় পুঁজিপতি, বিনিয়োগকারী এবং বিশ্বপ্রেমিক আজিম প্রেমজি বলেন, ‘যদি তোমার লক্ষ্য দেখে কেউ না হাসে তাহলে বুঝবে তোমার লক্ষ্য অনেক অনেক ছোট।’ সফল ব্যক্তিদের অভিধানে ‘নিরাপদ কাজ’ এই শব্দটি নেই। তারা কাজের ক্ষেত্রে সাহসী এবং একই সাথে আত্ম-ত্যাগী হয়ে থাকেন। তারা ঝুঁকি গ্রহণ করতে জানেন। জানেন, সেবাভিত্তিক যেকোনো উদ্যোগে বিভিন্ন ঝুঁকি আসতে পারে এবং তা প্রতিহত করার সাহসও রাখেন। সফল ব্যক্তিদের এই দুঃসাহস তাদের সব ধরনের ভয় কাটিয়ে দেয়, ফলতঃ তারা বিশ্বকে জয় করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ স্কুলের গণ্ডিটাকে জয় করতে পারেন না।

১০. তারা স্বপ্নবাজ হয়ে থাকেন

দিবাস্বপ্ন! এটা আসলে ততটা খারাপ না যতটা আমরা আমাদের শিক্ষকদের কাছ থেকে শুনে থাকি। বরং সেই স্বপ্নই আমাদের জন্য ক্ষতিকর যা আমাদেরকে জগৎ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে ফেলে। সফল ব্যক্তিরা স্বপ্নবাজ হয়ে থাকেন। তারা স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন। আবার সেই স্বপ্নকে বাস্তবেও পূরণ করেন। তারা স্বার্থহীন, মানুষের প্রয়োজনে লাগে এমন স্বপ্ন দেখতেই ভালোবাসেন। আর এই স্বপ্নের পিছনে ছুটতে ছুটতে স্কুলের নিয়মগুলো মানতে ভুলে যান। ফলে স্কুলের সেরা ছাত্রটি হতে পারেন না।

সফল হতে চাইলে সবাইকে খুশি রেখে চলতে পারবেন না আপনি। যতো বেশি আপনি কাউকে পাত্তা দিবেন, ততো কম আপনি পাত্তা পাবেন। এসব মানুষকে যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন এবং নিজের লক্ষ্য ও স্বপ্নের দিকে মনোযোগ দিন।

সফল হতে চাইলে এ ব্যাপারগুলো এড়িয়ে চলুন

বিষাক্ত মানুষ থেকে দূরে থাকুন। অনেক দেরি কিংবা অনেক দ্রুত বলতে কিছু নেই। আপনার ইচ্ছাশক্তি অনুযায়ী কাজ করুন। কিন্তু দরকারী ব্যাপার থেকে কিভাবে অদরকারী ব্যাপার আলাদা করবেন? আমরা একটি তালিকা তৈরি করেছি যেন আপনি সহজেই সাফল্যের রাস্তা খুঁজে পেতে পারেন। আজ আমাদের প্রতিবেদনের মূল বক্তব্য হলো- সফল হওয়ার জন্য কোন ব্যাপারগুলো এড়িয়ে চলবেন। চলুন জেনে আসা যাক-

অন্য মানুষের বিচার
এক সময় পুরো পৃথিবী নীরব হয়ে যাবে, তখন শুধুমাত্র আপনি নিজের বিবেককে শুনতে পাবেন। সেটিই আপনাকে জানান দিবে যে আদতে আপনার কী করা উচিত। সমস্যা হচ্ছে, আমরা প্রায়শই অন্য মানুষের মতামতকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে বসি যার দরুণ নিজের ইচ্ছা ও পছন্দের কথাই ভুলে যাই। তবে সফল হতে হলে এ অভ্যাস বদলাতে হবে। আপনার সফলতার জন্য আপনার কী দরকার, তা আপনি ছাড়া অন্য কেউ বুঝবেনা কখনোই।

অতীতের পুরনো স্মৃতিচারণ
অতীতে কি হয়েছে না হয়েছে তা হাজার চেষ্টা করলেও আপনি বদলাতে পারবেন না। তার দরকারও নেই। আপনি বরং নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করে যান। যে দিন চলে গিয়েছে তার কথা ভেবে সময় নষ্ট করার কোন মানেই হয় না।

কঠোর পরিশ্রমের পেছনের বেদনা
পৃথিবীতে দুই ধরনের বেদনা আছে। একটি হলো, যেটি আপনাকে কষ্ট দেয় এবং অপরটি হলো যেটি আপনাকে শিক্ষা দেয়। জীবনে যা যা কষ্ট আপনি পাছেন, সবগুলো থেকেই যদি শিক্ষা গ্রহণ করেন তবে আপনিই জয়ী হবেন। কোন কিছু অর্জন করতে হলে আপনাকে কষ্ট সহ্য করতে হবে, এটিই স্বাভাবিক। মনে রাখবেন, দিন শেষে কাজই কথা বলবে। সুতরাং, আপনি আপনার মতন কাজ করে যান।

হ্যাঁ এবং না বলা
আপনার নিজেরই এটা ঠিক করতে হবে যে কখন আপনি হ্যাঁ বলবেন এবং কখন না বলবেন। একেবারেই খুব বেশি চেষ্টা করার প্রয়োজন নেই, তাহলে আপনি বিভ্রান্ত হয়ে যাবেন। নিজের লক্ষ্যের দিকে মনোযোগ দিন। মানুষকে সন্তুষ্ট করতে করতে নিজেকে ভুলে যাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। এতে আপনার কোন লাভ হবে না।

অধৈর্যশীল চিন্তা
কঠোর পরিশ্রম করার সময় ধৈর্য ধারণ করা শিখুন। যতদূরই আপনি যান না কেন ধৈর্যকে আপনার সাথে রাখুন। অধৈর্যশীল চিন্তা আপনার সাফল্যের শিখরে পৌছতে বাধা সৃষ্টি করে। মাঝে মাঝে হয়তো ফল না পেয়ে কিংবা দেরিতে পেয়ে আপনি কষ্ট পাবেন কিন্তু হাল ছেড়ে দিলে চলবে না।

অনিয়ন্ত্রিত বিষয়সমূহ
কখনো কোন কাজ জোর করে করাতে চাইবেন না বরং সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে শিখুন। যা হবার তা হবেই। সমস্যাগুলোর কথা না ভেবে সমাধানের কথা চিন্তা করুন। প্রত্যেকটি পরিবর্তনের পেছনেই উদ্দেশ্য থাকে। প্রথম প্রথম হয়তো আপনার খুব কষ্ট হবে কিন্তু ধীরে ধীরে অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে।

প্রতিদিনের ছোটখাটো ব্যর্থতা
খারাপ দিন আসেই মানুষের জীবনে। কিন্তু সেটি কখনো থেমে থাকে না। মনে রাখবেন, আপনার ভুল থেকেই অনেক কিছু শেখার আছে। সুতরাং কোন ভুল কিংবা ব্যর্থতাকে সীমাবদ্ধতা না ভেবে আশীর্বাদ মনে করুন।

বিউটি স্ট্যান্ডার্ড
আপাতদৃষ্টিতে যেসব বিষয় আপনি সৌন্দর্য হিসেবে ধরে এসেছিলেন, সেগুলো বদলানোর সময় এসেছে এবার। ধবধবে সাদার দৃষ্টিকোণ থেকে এবার বের হয়ে বাদামী সৌন্দর্যকে আপন করে নিন।

ভয়-ভীতি
জীবন মানেই ঝুঁকি। আপনি যদি ঝুঁকি না নেন তবে কখনোই সামনে এগোতে পারবেন না। ভয়গুলোর সাথে মোকাবেলা করুন। থেমে থাকলে চলবে না।মনে রাখবেন, জীবন তার আপন গতিতেই এগিয়ে চলে।

মানসিক শঙ্কা
কষ্টের দিনগুলোতেও নিজের উপর ভরসা রাখুন। ভুল মানুষই করে। কেউ না জেনে ভুল করে, আবার কেউ কাউকে কষ্ট দেওয়ার জন্য ভুল করে। বিশ্বাস রাখুন, জীবন একদিন আপনাকে উপহার দিবেই। এই ভরসাই আপনাকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

Related Post

[random][carousel2][#e74c3c]
{picture#YOUR_PROFILE_PICTURE_URL} YOUR_PROFILE_DESCRIPTION {facebook#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {twitter#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {google#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {pinterest#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {youtube#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL} {instagram#YOUR_SOCIAL_PROFILE_URL}
Powered by Blogger.